অ্যালো
ভেরা নতুন কিছু নয় বরং এটা মানুষ হাজার হাজার বছ্র ধরে ব্যবহার করে আসছেন, যার গুনাগুন
হাদিস এবং বাইবেলের মধ্যে উল্লেখ রয়েছে। যদিও দেখতে ক্যাকটাসের মতো কিন্তু অ্যালো ভেরা
হচ্ছে লিলি এবং অনিয়ন গোত্রিয়। আমাদের দেশে এটা ঘৃতকুমারি বা ঘৃত কাঞ্চন নামে পরিচিত।
আজ
থেকে ২০০০ বছর আগে মিশরের রানি ক্লিওপেট্রা এটা বেবহার করতেন তার সুন্দর এবং যৌবন ধরে
রাখার জন্য।গ্রিক সভ্যতার সেনাধিনায়ক আলেকজান্ডার দি গ্রেট তার আহত সৈইনিকদের চিকিৎসার
জন্য অ্যালো ভেরা ব্যবহার করতেন। তাছাড়া পারস্য, চীনা, ও রোমান সভ্যতা অ্যালো ভেরার
ভক্ত ছিলেন।
এই বিজ্ঞানের
যুগে অ্যালো ভেরা এর চমৎকারিত্বে সমগ্র বিশ্ব মানবকুল অভিভুত। চিকিৎসা শাষ্রে অ্যালো
ভেরা নিয়ে এসেছে অবিস্মরণীয় পরিবরতন। মানুষ যখন প্রমান ছাড়া কোন কিছু বিশাস করতে চায়
না সেই সময় মানুষের মধে অ্যালো ভেরার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তার সমাধানে অ্যালো
ভেরার ঔষধি গুনাগুন জুগান্তকারি কাজ দিচ্ছে।
ইংল্যন্ডের
একজন বিখ্যত ডাক্তার পিটার এথারটন যিনি অক্সফোর্ড থেকে অ্যালো ভেরার উপর পি এইচ ডি
করে বলেছেন যে বরতমান যুগে মানুশকে সুস্থ থাকতে হলে প্রতিদিন অ্যালো ভেরা জেল পান করা
অত্যাবশক।

No comments:
Post a Comment